বড়দিনে পৃথিবীর কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে ১০তলা ভবন সমান গ্রহাণু!

গ্রহাণু

নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ক্রিসমাস ইভে ১০-তলা ভবনের সমান আকারের একটি গ্রহাণু, ২০২৪ এক্সএন১, পৃথিবীর কাছ দিয়ে নিরাপদে অতিক্রম করবে। প্রায় ৩৭ মিটার (প্রায় ১২০ ফুট) আকারের এই গ্রহাণুটি ঘণ্টায় প্রায় ২৩,৭২৯ কিলোমিটার (প্রায় ১৪,৭৪৩ মাইল) বেগে চলবে এবং পৃথিবী থেকে প্রায় ৭.২১ মিলিয়ন কিলোমিটার (প্রায় ৪.৪৮ মিলিয়ন মাইল) দূর দিয়ে যাবে।

নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরি (জেপিএল) নিশ্চিত করেছে যে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করবে না। তারা জানিয়েছে, “এই মহাজাগতিক দর্শনার্থী কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করছে না, তবে এর কাছাকাছি অতিক্রম বিজ্ঞানীদের জন্য এই মহাজাগতিক শিলাগুলির এবং তাদের উৎপত্তি সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সংগ্রহের একটি চমৎকার সুযোগ।”

এ ধরনের গ্রহাণুর কাছাকাছি অতিক্রম মহাবিশ্বের গঠন এবং সৌরজগতের প্রাথমিক সময় সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের গভীরতর বোঝাপড়া প্রদান করে। নাসা এবং অন্যান্য মহাকাশ সংস্থাগুলি নিয়মিতভাবে এই ধরনের নিকট-পৃথিবী বস্তুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে, যাতে সম্ভাব্য হুমকি সনাক্ত এবং প্রয়োজনে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ এক্সএন১-এর মতো গ্রহাণুগুলি মহাকাশে প্রায়শই পৃথিবীর কাছ দিয়ে অতিক্রম করে, এবং নাসার উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেমগুলি এই ধরনের বস্তুর গতিবিধি নিরীক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সুতরাং, ক্রিসমাস ইভে এই গ্রহাণুর অতিক্রম মহাকাশ বিজ্ঞানীদের জন্য গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে, তবে পৃথিবীর বাসিন্দাদের জন্য এটি কোনো উদ্বেগের কারণ নয়।

Facebook
Twitter
WhatsApp
LinkedIn
Email

চাঁদ পৃথিবীর জন্য শুধু একটি সৌন্দর্য নয়, এটি আমাদের গ্রহের জীববৈচিত্র্য, জলবায়ু এবং মৌলিক ভারসাম্যের জন্য অপরিহার্য। যদি চাঁদ হঠাৎ উধাও হয়ে যায়, তাহলে পৃথিবীতে যে বিপর্যয় নেমে আসবে, তা কল্পনাকেও হার মানায়। 🌊 সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও উপকূলীয় বাস্তুসংস্থান চাঁদের মহাকর্ষীয় টান পৃথিবীর জোয়ার-ভাটার প্রধান চালক। চাঁদ না থাকলে জোয়ার-ভাটার উচ্চতা ৫০% থেকে ৭৫% পর্যন্ত […]

মানুষের চোখের একটি পলক ফেলতে গড়ে সময় লাগে ০.২৫ সেকেন্ড। এই ক্ষণিক সময়েই মহাবিশ্বে ঘটে যায় অসংখ্য বিস্ময়কর ঘটনা। চলুন, এক পলকের এই সময়টুকুতে কী কী ঘটে তা জেনে নিই:​ 🌌 মহাবিশ্বের বিস্ময়কর পরিবর্তন নতুন নক্ষত্রের জন্ম: প্রতি সেকেন্ডে মহাবিশ্বে গড়ে ৩,০০০ থেকে ৪,৮০০ নতুন নক্ষত্র জন্ম নেয় ।​ নক্ষত্রের বিস্ফোরণ: প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১,০০০ […]

প্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে আছে অসংখ্য বিস্ময়কর ঘটনা, যেগুলো আমাদের মুগ্ধ করে রাখে। বায়ুমণ্ডলে সূর্যের আলো ও বরফ কণার সংমিশ্রণে সৃষ্টি হয় কিছু চমকপ্রদ আলোকপ্রভাব, যা সচরাচর দেখা যায় না। এই ধরনের কিছু অসাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় ঘটনার মধ্যে পারহেলিয়া (Parhelia), সার্কাম হরাইজন আর্ক (Circumhorizon Arc), সান পিলার (Light Pillar) এবং সূর্য বলয় (Sun Haloes) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। চলুন, […]

ডেনেব, আমাদের গ্যালাক্সির অন্যতম উজ্জ্বল তারা, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে জ্যোতির্বিদ ও রাতের আকাশপ্রেমীদের মুগ্ধ করে রেখেছে। সিগনাস (Cygnus) বা রাজহাঁস নক্ষত্রমণ্ডলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা হিসেবে এটি গ্রীষ্মকালীন ত্রিভুজের (Summer Triangle) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ডেনেব শুধু একটি মনোমুগ্ধকর মহাজাগতিক বস্তু নয়, এটি বিশাল তারার জীবনচক্র বোঝার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিবন্ধে আমরা ডেনেবের বৈশিষ্ট্য, জ্যোতির্বিজ্ঞানে […]

অ্যান্টারেস (Antares) হল মঙ্গলগ্রহের প্রতিদ্বন্দ্বী, আকাশের এক বিশাল লাল তারা, যা বৃশ্চিক (Scorpius) নক্ষত্রমণ্ডল-এর উজ্জ্বলতম সদস্য। এটি শুধুমাত্র উজ্জ্বলই নয়, বরং মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় তারাগুলোর একটি। এটি লাল অতিদানব (Red Supergiant)- মৃতপ্রায় নক্ষত্র, যা মহাবিশ্বে এক মহাবিস্ফোরণের অপেক্ষায় রয়েছে। এক বিশাল দৈত্য নক্ষত্র অ্যান্টারেস আমাদের সূর্যের তুলনায় ৭০০ গুণ বড়, যা একে মহাবিশ্বের অন্যতম বৃহৎ […]

আলদেবারান, বৃষ রাশির উজ্জ্বলতম নক্ষত্র, রাত্রির আকাশের অন্যতম চিত্তাকর্ষক জ্যোতিষ্ক। প্রাচীনকালে একে ‘বৃষের চক্ষু’ বলা হতো। এটি একটি কমলা রঙের দৈত্য নক্ষত্র, যা হায়াডিস তারকা গুচ্ছের কাছাকাছি অবস্থান করে। জ্যোতির্বিজ্ঞান, পুরাণ এবং বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে আলদেবারান মানুষের কল্পনাকে যুগ যুগ ধরে মুগ্ধ করে রেখেছে। ভৌত বৈশিষ্ট্য ও দূরত্ব আলদেবারান একটি K-শ্রেণীর কমলা দৈত্য নক্ষত্র, যার […]

সূর্য আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্রবিন্দু এবং পৃথিবীর সমস্ত প্রাণের শক্তির প্রধান উৎস। এটি একটি বিশাল উত্তপ্ত গ্যাসের গোলক, যা মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে গঠিত। সূর্যের মহাশক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণ বল সৌরজগতের সমস্ত গ্রহকে কক্ষপথে বেঁধে রেখেছে। সূর্যের গঠন ও প্রকৃতি সূর্য মূলত প্লাজমা অবস্থায় থাকা এক বিশাল নক্ষত্র, যার ভেতরে ক্রমাগত নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়া চলছে। এই […]

রিগেল (Rigel) এক বিশাল নীল অতিদানব (Blue Supergiant) তারা, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৮৬০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এটি ওরিয়নের প্রধান উজ্জ্বল তারাগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং রাত্রিকালীন আকাশের সপ্তম উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। রিগেল তারা মূলত ওরিয়নের ডান পায়ের অবস্থানে দেখা যায় এবং ওরিয়নের নক্ষত্রপুঞ্জের (Orion Constellation) অন্তর্ভুক্ত। রিগেলের বৈশিষ্ট্য উজ্জ্বলতা ও রঙ রিগেল একটি নীল অতিদানব তারা, […]

অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি, যা এম৩১ (M31) নামেও পরিচিত, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সবচেয়ে নিকটবর্তী বৃহৎ প্রতিবেশী। এটি রাতের আকাশে খালি চোখেও দেখা যায় এবং মহাবিশ্বের বিস্ময়কর এক রত্ন। অবস্থান ও দূরত্ব অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এটি আকাশে অ্যান্ড্রোমিডা নামক নক্ষত্রমণ্ডলের মধ্যে অবস্থান করে। এই গ্যালাক্সি তার অসাধারণ আকার এবং উজ্জ্বলতার কারণে […]

মহাকাশে সেলফোন ব্যবহার করার ধারণাটি কল্পবিজ্ঞানের মতো শোনালেও বর্তমানে এটি সম্ভব হয়ে উঠেছে নাসার গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নতির মাধ্যমে। মহাকাশে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয় স্যাটেলাইট এবং বিশেষ যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা পৃথিবীর বাইরে যোগাযোগ স্থাপনকে সহজতর করে। মহাকাশে সেলফোনের ভূমিকা নাসার PhoneSat প্রকল্পটি মহাকাশে যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্ভাবনা আবিষ্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্রকল্পে সেলফোনকে স্যাটেলাইট হিসাবে […]