বিশ্বের ৫ ঐতিহাসিক বিমান

ঐতিহাসিক বিমান

বিমানের ইতিহাসে কিছু মডেল আছে যা প্রযুক্তি, ডিজাইন এবং সক্ষমতার দিক থেকে এক অনন্য স্থান দখল করে রেখেছে। এই ঐতিহাসিক বিমানগুলো শুধু আকাশ পরিবহণে বিপ্লব ঘটায়নি, বরং বিশ্বব্যাপী মানুষের ভ্রমণের ধরণ বদলে দিয়েছে। এখানে আমরা এমন পাঁচটি ঐতিহাসিক বিমানের কথা বলব, যার মধ্যে রয়েছে সুপরিচিত ‘কনকর্ড’।

১. কনকর্ড (Concorde): বিশ্বের সবচেয়ে গতিময় যাত্রীবাহী ঐতিহাসিক বিমান

পরিচিতি

কনকর্ড ছিল একটি সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান, যা ফ্রান্সের অ্যারোস্পাতিয়াল এবং ব্রিটেনের ব্রিটিশ অ্যারোস্পেসের যৌথ প্রকল্পে নির্মিত হয়। এটি বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক সুপারসনিক জেট, যা শব্দের দ্বিগুণ গতিতে উড়তে পারত।

প্রথম ফ্লাইট: ২ মার্চ ১৯৬৯
পরিচালনার সময়কাল: ১৯৭৬ – ২০০৩
সর্বোচ্চ গতি: Mach 2.04 (প্রায় ২,১৮০ কিমি/ঘণ্টা)
যাত্রী সংখ্যা: ৯২-১২৮ জন
পরিসেবা প্রদানকারী এয়ারলাইন: ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, এয়ার ফ্রান্স

বিশেষ বৈশিষ্ট্য

– শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতি থাকায় এটি নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডনের দূরত্ব মাত্র ৩ ঘণ্টায় অতিক্রম করতে পারত।
– বিমানটির নকশা ছিল বিশেষভাবে অ্যারোডাইনামিক, যা উচ্চ গতিতে উড়ার জন্য উপযুক্ত।
– কনকর্ড ৬০,০০০ ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম ছিল, যেখানে সাধারণ বিমানের সর্বোচ্চ উচ্চতা ৩০,০০০-৪০,০০০ ফুট।
– অত্যাধুনিক অভ্যন্তরীণ ডিজাইন এবং বিলাসবহুল পরিষেবার জন্য এটি অভিজাত যাত্রীদের কাছে জনপ্রিয় ছিল।

কেন কনকর্ড অবসর নেয়?

২০০০ সালে এয়ার ফ্রান্সের কনকর্ড বিমান দুর্ঘটনার পর এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এছাড়া, এর উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, জ্বালানি ব্যয়, শব্দদূষণ এবং টিকিটের অত্যধিক মূল্য এর জনপ্রিয়তা কমিয়ে দেয়। ফলে ২০০৩ সালে কনকর্ডের বাণিজ্যিক সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক বিমান ‘কনকর্ড’ বিমান শিল্পে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার হলেও বিভিন্ন সমস্যার কারণে এটি টিকে থাকতে পারেনি। তবে আজও এটি বিশ্বের অন্যতম আইকনিক এবং ঐতিহাসিক বিমান হিসেবে গণ্য করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থা কনকর্ডের উত্তরসূরি নতুন সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান তৈরির পরিকল্পনা করছে, যা ভবিষ্যতে দ্রুতগতির বিমান ভ্রমণকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে।

২. রাইট ফ্লায়ার (Wright Flyer): বিশ্বের প্রথম সফল উড়োজাহাজ

পরিচিতি

রাইট ফ্লায়ার ছিল বিশ্বের প্রথম মোটরচালিত উড়োজাহাজ, যা ১৯০৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরভিল ও উইলবার রাইট ভাই নির্মাণ করেন। এটি আধুনিক বিমানের পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রথম উড্ডয়ন: ১৭ ডিসেম্বর ১৯০৩
পরিচালনার সময়কাল: ১৯০৩
সর্বোচ্চ গতি: ৫০ কিমি/ঘণ্টা (প্রায়)
উড়ানের সময়কাল: প্রথম উড্ডয়ন ছিল মাত্র ১২ সেকেন্ড, দূরত্ব ৩৭ মিটার

বিশেষ বৈশিষ্ট্য
-এটি ছিল কাঠ ও কাপড় দিয়ে তৈরি এবং গ্যাসোলিন ইঞ্জিন চালিত প্রথম বিমান।
-রাইট ফ্লায়ারে দুটি পাখার পাশাপাশি দুটি চালক বসার জায়গা ছিল।
-বিমানটির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল অভিনব, যা আধুনিক বিমানের কন্ট্রোল সিস্টেমের ভিত্তি গড়ে তোলে।
-এটি প্রথম সফলভাবে মানুষকে আকাশে উড়ানোর মাধ্যমে উড়োজাহাজ যুগের সূচনা করেছিল।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব
রাইট ফ্লায়ার শুধু প্রথম উড়োজাহাজই নয়, এটি বিশ্বব্যাপী বিমান প্রযুক্তির বিকাশের জন্য একটি অনন্য মাইলফলক স্থাপন করেছিল। এর সফল উড্ডয়ন প্রমাণ করে যে মানুষ যান্ত্রিকভাবে আকাশে উড়তে পারে, যা পরবর্তীতে আধুনিক বিমান শিল্পের ভিত্তি গড়ে তোলে।

রাইট ফ্লায়ার ছিল মানব সভ্যতার এক যুগান্তকারী আবিষ্কার, যা বিমান চলাচলকে বাস্তবতায় রূপ দিয়েছে। আজকের আধুনিক বাণিজ্যিক ও সামরিক বিমানের বিকাশের পেছনে রাইট ভাইদের এই আবিষ্কার ছিল এক অনস্বীকার্য অনুপ্রেরণা।

৩. বোয়িং ৭৪৭ (Boeing 747): বিশ্বের প্রথম ‘জাম্বো জেট’

পরিচিতি

বোয়িং ৭৪৭ হলো বিশ্বের প্রথম বৃহৎ বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমান, যা ‘জাম্বো জেট’ নামে পরিচিত। এটি ১৯৭০ সালে বাণিজ্যিক সেবায় যোগ দেয় এবং আকাশপথে ভ্রমণের ধারণাকে বদলে দেয়।

প্রথম ফ্লাইট: ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
পরিচালনার শুরু: ২২ জানুয়ারি ১৯৭০ (প্যান আম এয়ারলাইন্স)
সর্বোচ্চ গতি: ৯১৭ কিমি/ঘণ্টা (Mach 0.92)
যাত্রী ধারণক্ষমতা: ৩৬৬ থেকে ৬৬০ জন (মডেলের ওপর নির্ভরশীল)
পরিসেবা প্রদানকারী এয়ারলাইন: বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইন্স

বিশেষ বৈশিষ্ট্য
-এটি ছিল বিশ্বের প্রথম দুইতলা (double-deck) যাত্রীবাহী বিমান, যা প্রচুর যাত্রী বহনের সক্ষমতা রাখে।
-বোয়িং ৭৪৭ বিমান শিল্পে দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণকে সহজ এবং সাশ্রয়ী করে তোলে।
-উন্নত ইঞ্জিন প্রযুক্তির কারণে এটি দ্রুতগতিতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে সক্ষম।
-কার্গো পরিবহনেও ব্যবহৃত হয়, যা বিশ্বব্যাপী পণ্য পরিবহন শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছে।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব
বোয়িং ৭৪৭-এর আবির্ভাব আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বিশাল পরিবর্তন আনে। এটি ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী ও সহজ করে তোলে এবং আকাশপথকে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। বিমানটি আধুনিক এয়ারলাইন্স শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছে।

বোয়িং ৭৪৭ বিশ্বের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় বিমান মডেল। যদিও নতুন প্রযুক্তির বিমান বাজারে এসেছে, তবুও ৭৪৭ আজও বিশ্বব্যাপী আকাশে ডানা মেলছে। এই ঐতিহাসিক বিমান চলাচলের ইতিহাসে এক চিরস্মরণীয় নাম হয়ে থাকবে।

৪. লকহিড এসআর-৭১ ব্ল্যাকবার্ড (Lockheed SR-71 Blackbird): বিশ্বের দ্রুততম যুদ্ধ বিমান

পরিচিতি

লকহিড এসআর-৭১ ব্ল্যাকবার্ড ছিল একটি অত্যাধুনিক এবং অত্যন্ত গোপনীয় সামরিক গোয়েন্দা বিমান, যা ১৯৬৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত হয়। এটি তার সময়ের সবচেয়ে দ্রুততম এবং উচ্চতায় উড়তে সক্ষম বিমান ছিল।

প্রথম ফ্লাইট: ২২ ডিসেম্বর ১৯৬৪
পরিচালনার সময়কাল: ১৯৬৬ – ১৯৯৯
সর্বোচ্চ গতি: Mach 3.3 (প্রায় ৩,৫০০ কিমি/ঘণ্টা)
উড়ানোর উচ্চতা: ৮৫,০০০ ফুট (২৫,৯০০ মিটার) পর্যন্ত
পরিসেবা প্রদানকারী: মার্কিন বিমান বাহিনী

বিশেষ বৈশিষ্ট্য
-এসআর-৭১ ব্ল্যাকবার্ড ছিল একটি সুপারসনিক কৌশলগত গোয়েন্দা বিমান, যা শত্রুর রাডারের আওতায় আসা ছাড়া খুব উচ্চ গতি এবং উচ্চতায় উড়তে সক্ষম ছিল।
-এটি এমন একটি বিমানের ডিজাইন ধারণ করেছিল, যা সঠিক ও দ্রুত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করতে পারত, কিন্তু শত্রু তার অস্তিত্ব অনুভব করতে পারত না।
-ব্ল্যাকবার্ডের রূপ এবং শক্তিশালী ইঞ্জিন প্রযুক্তি তাকে অত্যন্ত দ্রুত ও উচ্চ গতি সম্পন্ন বিমান বানিয়েছে।
-এটি অত্যাধুনিক শীতলীকরণ ব্যবস্থা এবং আল্ট্রা-হাই স্পিড উড়ানের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব
এসআর-৭১ ব্ল্যাকবার্ড ছিল বিমানের ইতিহাসে এক অনন্য সৃষ্টি, যা আকাশে এক উচ্চগতির অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা রাখে। এর গতি এবং উচ্চতায় অভিযানের দক্ষতা একে আকাশযুদ্ধের ক্ষেত্রে অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিমান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এসআর-৭১ ব্ল্যাকবার্ডের কৌশলগত গুরুত্ব এবং বিমান শিল্পে এর ভূমিকা অমূল্য। যদিও এটি ১৯৯৯ সালে অবসরপ্রাপ্ত হয়, তবে আজও এটি বিশ্বের অন্যতম আইকনিক এবং স্মরণীয় বিমান হিসেবে পরিচিত। ব্ল্যাকবার্ডের প্রযুক্তি এবং নকশা অনেক আধুনিক যুদ্ধ বিমানকে অনুপ্রাণিত করেছে।

৫. ডগলাস ডিসি-৩ (Douglas DC-3): বাণিজ্যিক আকাশযাত্রার ঐতিহাসিক বিমান

পরিচিতি

ডগলাস ডিসি-৩ ছিল একটি অত্যন্ত সফল এবং জনপ্রিয় বাণিজ্যিক বিমান, যা ১৯৩৫ সালে প্রথম উড়ান শুরু করে। এটি আকাশপথে যাত্রী এবং কার্গো পরিবহণে বিপ্লব ঘটিয়েছিল এবং আধুনিক বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

প্রথম ফ্লাইট: ১৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫
পরিচালনার সময়কাল: ১৯৩৫ – বর্তমান (বিভিন্ন সংস্করণ এখনও চালু)
সর্বোচ্চ গতি: ৩২১ কিমি/ঘণ্টা
যাত্রী ধারণক্ষমতা: ২১-২৮ জন (মডেলের ওপর নির্ভরশীল)
পরিসেবা প্রদানকারী: পৃথিবীর বিভিন্ন এয়ারলাইন্স, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সামরিক বাহিনী

বিশেষ বৈশিষ্ট্য
-ডগলাস ডিসি-৩ ছিল প্রথম বিমান যা বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক এবং সাশ্রয়ী মডেল হিসেবে প্রমাণিত হয়।
-এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সামরিক বাহিনীর জন্য সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং বিশেষ করে সৈন্য ও মালামাল পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
-বিমানের শক্তিশালী কাঠামো এবং ইঞ্জিন ডিজাইন এটিকে যাত্রী এবং মালামাল পরিবহণে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য করে তুলেছিল।
-ডিসি-৩ ছিল অন্যতম প্রথম বিমান যা বিমান চলাচলে নিরাপত্তা এবং সুবিধা নিশ্চিত করে সেবা প্রদান করতে সক্ষম ছিল।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব
ডগলাস ডিসি-৩ শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক বিমান নয়, বরং আকাশযাত্রার আধুনিক যুগের সূচনা করেছিল। এটি বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক আকাশযাত্রার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি এবং বিমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এর অবদানও ছিল অনস্বীকার্য।

ডগলাস ডিসি-৩ আধুনিক বিমান শিল্পের অন্যতম পুরোধা। এটি বিমান শিল্পের প্রারম্ভিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা আজও অনেক অঞ্চলে কার্গো পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ডিসি-৩ তার শক্তিশালী ডিজাইন এবং বহুমুখী ব্যবহারের জন্য চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।

উপসংহার
এই পাঁচটি ঐতিহাসিক বিমান তাদের যুগে বিপ্লব ঘটিয়েছিল এবং আকাশ পরিবহণকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। কনকর্ডের গতি, রাইট ফ্লায়ারের পথচলা, বোয়িং ৭৪৭-এর বিশালতা, ব্ল্যাকবার্ডের গোপন অভিযান ও ডগলাস ডি.সি-৩-এর স্থায়িত্ব- সবই এভিয়েশন ইতিহাসে এক একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। বিমান শিল্পের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা সময়ই বলে দেবে, তবে এই ঐতিহাসিক মডেলগুলো সর্বদা মানুষের মনে অমর হয়ে থাকবে।

Facebook
Twitter
WhatsApp
LinkedIn
Email

ক্যাস্পারস্কি সাইবারসিকিউরিটি কোম্পানির রিপোর্ট অনুসারে, ডার্ক ওয়েবে প্রায় ২ মিলিয়ন ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনা এমন একটি সময় ঘটেছে যখন ডেটা চুরি করার জন্য ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত ডিভাইসের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের পরিসর ক্যাস্পারস্কির ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ইন্টেলিজেন্স […]

রিকশা বিশ্বজুড়ে একটি জনপ্রিয় পরিবহন মাধ্যম, বিশেষ করে স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য। এটি সাধারণত মানুষ বা মালামাল বহনের কাজে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন দেশে রিকশার নকশা, চালানোর পদ্ধতি এবং ব্যবহারের ধরন আলাদা আলাদা হয়। চলুন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত রিকশার বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। ১. প্যাডেল রিকশা (Pedal Rickshaw) প্যাডেল রিকশা একটি জনপ্রিয় পরিবহন […]

আপনি কি পিয়ার রিভিউ করতে গিয়ে প্রচুর সময় ব্যয় করছেন? একটি এআই-সহায়তাযুক্ত ওয়ার্কফ্লো আপনাকে সাহায্য করতে পারে। কখনও অনুভব করেন, কোনো একাডেমিক পেপারের রিভিউ করার প্রতিশ্রুতি দিলে আপনার একটি সম্পূর্ণ কাজের দিন নষ্ট হয়ে যায়? আপনি একা নন। অনেক গবেষক একটি ম্যানুস্ক্রিপ্ট পর্যালোচনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করেন, কেবল বুঝতে পারেন যে, আরও বেশি […]

আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে, রান্নাঘরও এর ব্যতিক্রম নয়। একসময়ের চুলা ও হাঁড়ির উপর নির্ভরশীল রান্নার পদ্ধতি এখন স্মার্ট কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের মাধ্যমে অনেক সহজ ও দ্রুততর হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন কম সময়ে, কম পরিশ্রমে এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্নার সুবিধা পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নিই রান্নাঘরে ব্যবহৃত কিছু আধুনিক প্রযুক্তির কথা। ১. […]

স্মার্টফোন জগতে প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের কারণে প্রতিযোগিতা বেড়েই চলেছে। তবে, ওয়ানপ্লাস ১৩ এই বছরের অন্যতম সেরা স্মার্টফোন হিসেবে নিজের জায়গা করে নিতে প্রস্তুত। শক্তিশালী পারফরম্যান্স, দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ এবং অসাধারণ ক্যামেরার সংমিশ্রণে এটি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে। ডিজাইন ওয়ানপ্লাস ১৩ একটি অত্যন্ত টেকসই এবং ওয়াটারপ্রুফ স্মার্টফোন। এর IP68 এবং IP69 […]

শিল্পবর্জ্য থেকে শক্তি সঞ্চয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে ‘রেডক্স ফ্লো ব্যাটারি’র মাধ্যমে। নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ‘ট্রাইফেনাইলফসফিন অক্সাইড (TPPO)’ নামের একটি জৈব বর্জ্য উপাদানকে শক্তি সঞ্চয়ের উপযোগী করে তুলেছেন, যা ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিবছর হাজার হাজার টন TPPO বিভিন্ন জৈব রসায়ন প্রক্রিয়ার উপজাত হিসেবে উৎপন্ন হয়, যা সাধারণত অপ্রয়োজনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। […]

মহাকাশে সেলফোন ব্যবহার করার ধারণাটি কল্পবিজ্ঞানের মতো শোনালেও বর্তমানে এটি সম্ভব হয়ে উঠেছে নাসার গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নতির মাধ্যমে। মহাকাশে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয় স্যাটেলাইট এবং বিশেষ যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা পৃথিবীর বাইরে যোগাযোগ স্থাপনকে সহজতর করে। মহাকাশে সেলফোনের ভূমিকা নাসার PhoneSat প্রকল্পটি মহাকাশে যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্ভাবনা আবিষ্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্রকল্পে সেলফোনকে স্যাটেলাইট হিসাবে […]

মানবসভ্যতার ইতিহাসে মহাকাশ মিশনগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রযুক্তি, জ্ঞান এবং গবেষণার উন্নতির পাশাপাশি মহাকাশ অভিযানের খরচও আকাশচুম্বী। এ পর্যন্ত চালানো মিশনগুলোর মধ্যে কিছু মিশন এতটাই ব্যয়বহুল যে তা মানবতার সাহসিকতার এক অনন্য নিদর্শন। এখানে আলোচনা করা হয়েছে সর্বকালের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ৭টি মহাকাশ মিশন নিয়ে। ১. ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS) ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS) পৃথিবীর কক্ষপথে অবস্থান […]

এনিয়াক (ENIAC) বা ইলেক্ট্রনিক নিউমেরিক্যাল ইন্টিগ্রেটর অ্যান্ড কম্পিউটার বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। এটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৪৩ সালে এবং ১৯৪৫ সালে সফলভাবে চালু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আমেরিকার সেনাবাহিনীর গোলা নিক্ষেপের ক্যালকুলেশনকে আরও দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট করার জন্য এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। জন ডব্লিউ মক্লি এবং জে. প্রেসপার একার্ট এই প্রকল্পের নেতৃত্ব […]

উইকিপিডিয়া একটি মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে জ্ঞান প্রদান করে। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ব্যক্তি তথ্য যোগ করতে, সম্পাদনা করতে বা শেয়ার করতে পারেন। উইকিপিডিয়া ২০০১ সালের ১৫ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে এবং এখন এটি বিশ্বের বৃহত্তম ও বহুল ব্যবহৃত রেফারেন্স ওয়েবসাইটে পরিণত হয়েছে। ১৯৯৫ সালে ওয়ার্ড কানিংহ্যাম প্রথমবারের মতো […]